×
সদ্য প্রাপ্ত:
একাত্তরের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, চব্বিশ ছিল রক্ষার: প্রধানমন্ত্রী খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১১-০৭
  • ২৭ বার পঠিত
সুজন চক্রবর্তী, ভারত প্রতিনিধিঃ

প্রথমে স্ত্রী এবং তারপর একে একে তাঁর বাপের বাড়ির ৬ সদস্যকে খুনের অভিযোগ উঠল ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরুর এক ট্যাক্সি চালকের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্তের নাম ইন্দু শেখর। ৭ জনকে খুনের পর এক এক করে দেহ নিজের ট্যাক্সিতে করে নিয়ে গিয়ে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দেহ ফেলে আসেন তিনি। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, ইন্দু শেখরের স্ত্রী সুনীতা, শাশুড়ি রুপবতী, ২ শ্যালক, তাঁদের স্ত্রী এবং ৭ বছরের ভাইপো। একই পরিবারের ৭ সদস্যের খুনের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে বেঙ্গালুরুর শ্রীরামপুরায়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, স্ত্রী সুনীতার সঙ্গে ইন্দু শেখরের অশান্তি চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। সুনীতা বাপের বাড়ির লোকের সঙ্গে ঘনঘন যোগাযোগ করতেন, সেখানে যেতেন।

আর এখান থেকেই ইন্দু শেখরের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয় যে, তাঁর সংসারে অশান্তিতে ইন্ধন জোগাচ্ছেন শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। আর এই সন্দেহের বশেই ইন্দু শেখরের মনে আক্রোশ জমছিল। সেই আক্রোশের জেরেই খুন কিনা তা স্পষ্ট হয়নি।

পুলিশের দাবি, ইন্দুশেখর এই ৭ জনকে খুনের কথা স্বীকার করেছেন। অভিযুক্তকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেয়েছেন, প্রথমে স্ত্রীকে খুন করেন ইন্দুশেখর।

তাঁর দেহ ফেলে আসেন চিক্কাবল্লাপুরের নন্দী হিলসে। তারপর খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করে ইন্দু শ্বশুর বাড়ির লোকদের নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে আসেন। খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেন। সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লে একে একে সকলকে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করেন।

তারপর স্ত্রী এবং তাঁর বাপের বাড়ির ৬ সদস্যের দেহ গাড়িতে তুলে শহরের নানা প্রান্তে ফেলে দিয়ে আসেন। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে এক এক করে ৭টি দেহ উদ্ধারের খবর আসতেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

দেহগুলি উদ্ধার করে পুলিশ। বিভিন্ন সূত্র মারফত ইন্দুশেখরের হদিস পায় পুলিশ। তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ইন্দুশেখরের কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে।

আর এখান থেকেই তদন্তকারীদের সন্দেহ বাড়ে, এই খুনের সঙ্গে কোনও না কোনও ভাবে যোগ রয়েছে ইন্দুশেখরের। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।

তখনই তিনি খুুনের কথা স্বীকার করেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। তারপরই গ্রেফতার করা হয় ইন্দুশেখরকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat