বিশেষ প্রতিনিধি:
দেশের সার্বিক শিল্পকারখানায় অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা, ভাঙচুর এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে যারা কুচক্রী চক্রান্ত চালাচ্ছে, তাদের ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মতো দেশের আপামর জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সমুচিত জবাব দেবে বলে দৃঢ় হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার জাতীয় সমস্ত শক্তি এক করে সাধারণ জনগণ, শ্রমজীবী মানুষ এবং সর্বস্তরের শ্রমিক ভাই-বোনদের সঙ্গে নিয়ে এই চক্রান্তকারীদের শক্ত হাতে রুখে দাঁড়াবে। যেভাবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে অপশক্তির সঠিক জবাব দিয়েছিল, আগামী দিনগুলোতেও একইভাবে কঠোর ও উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর পবিত্র মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় বা পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর আজ জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেটে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সরকার সার্বিকভাবে দেশের মেহনতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নানামুখী মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ করছে; আর ঠিক তখনই চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীরা সেই গণমুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ভেস্তে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে।
তিনি আরও আহ্বান জানান, এই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আজ সারা দেশের মেহনতি জনগণ এবং উৎপাদনশীল খাতের শ্রমিক ভাইদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, যাতে কোনোভাবেই সুযোগসন্ধানীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ না পায়। কারণ এখন সময় এসেছে ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠন করার এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন আনার।
চক্রান্তকারীদের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের আপামর খেটে খাওয়া মানুষ এবং প্রিয় শ্রমিক ভাই-বোনদের সঙ্গে নিয়ে আমরা যেকোনো ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত। আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই—‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’