×
সদ্য প্রাপ্ত:
গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী একাত্তরের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, চব্বিশ ছিল রক্ষার: প্রধানমন্ত্রী খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-১২
  • ৬৩ বার পঠিত

সমাজকল্যাণ ও জনকল্যাণ প্রতিবেদক:

নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে সরকার। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইন ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এই কর্মসূচির কথা জানান। এ সময় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পের বাজেট ও ভাতা বিতরণ কাঠামো

  • বিশাল বাজেট বরাদ্দ: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই কর্মসূচির জন্য মোট ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরাসরি ভাতা প্রদান বাবদ খরচ হবে।

  • লক্ষ্যমাত্রা: চলতি অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার আওতায় আনা হবে। পরবর্তী ৩ অর্থবছরে দেশের সকল যোগ্য নারী পরিবারপ্রধানদের এই সুবিধার অধীনে নিয়ে আসা হবে।

  • যোগ্যতার মাপকাঠি: ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ অনুযায়ী পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ পিএমটি স্কোরের ভিত্তিতে সমাজকে ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। স্কোরের মান ৮৬০ বা তার কম হলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের নারীপ্রধান ভাতা পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন।

আধুনিক তথ্য সংগ্রহ ও ডিজিটাল ‘টাকাপের’ কার্ড

  • মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ: সারাদেশে ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার এনএফসি ও নেটওয়ার্ক চালিত বিশেষায়িত ট্যাবলেটের মাধ্যমে সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনলাইনে ডেটা ইনপুট করবেন।

  • স্মার্ট কার্ড সুবিধা: প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে থাকবে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড এবং নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (NFC) সুবিধা। কার্ডটি বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব পেমেন্ট ব্যবস্থা ‘টাকাপের’ (TakaPay) সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকবে, ফলে এটিএম বুথ, এমএফএস (MFS) বা পিওএস (POS) মেশিনের মাধ্যমে সহজেই ভাতার টাকা তোলা যাবে।

পাইলটিং সাফল্য

এর আগে গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনকৃত পাইলটিং পর্যায়ে ৮টি বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলায় ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা প্রদান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat