×
সদ্য প্রাপ্ত:
খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-৩০
  • ৪৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে চীনের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা সংকট ও আঞ্চলিক সহযোগিতা:

সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই চীন যে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে আসছে, তার উচ্চ প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সংকট স্থায়ীভাবে সমাধানে এবং রোহিঙ্গাদের নিজ ভূখণ্ডে নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে চীনের চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগ ও সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পাশাপাশি, আঞ্চলিক সংযোগ ও বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোকে স্বাগত জানান। পারস্পরিক স্বার্থে চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে বাংলাদেশ একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিনিয়োগ ও বহুমুখী খাতে অংশীদারত্ব:

বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশটির বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন ও সম্ভাবনাময় খাতগুলো উন্মুক্ত করার আহ্বান জানান। তিনি যেসকল খাতে বিশেষ সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তার মধ্যে রয়েছে:

  • তৈরি পোশাক ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং: ঐতিহ্যবাহী পোশাক খাতের পাশাপাশি হালকা প্রকৌশল শিল্পে বিনিয়োগ।

  • উচ্চপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিকস: বৈদ্যুতিক যান (ইভি), হাই-টেক ইলেকট্রনিকস এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্প।

  • বিকল্প শক্তি: সৌরশক্তি বা সোলার পাওয়ার খাতে যৌথ উদ্যোগ।

এছাড়া মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং 'চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন' প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান রাষ্ট্রপতি।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুবর্ণ ঐতিহ্য:

বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের কূটনৈতিক মেয়াদের ভূয়সী প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তার সময়কালে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের ঐতিহাসিক চীন সফরের কথা স্মরণ করার পাশাপাশি ২০২৬ সালের এপ্রিলে নিজের সাম্প্রতিক চীন সফর এবং দেশের জ্যেষ্ঠ-তরুণ নেতৃত্ব ও শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও সুগভীর করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাক্ষাৎশেষে এক হাজার শয্যার 'বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল' নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। এছাড়াও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত জটিল ব্লাড ক্যানসার চিকিৎসায় চীনা দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কামনা করলে রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat