দেশের ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং গৃহস্থালি খাতের জ্বালানি চাহিদা স্থায়ীভাবে পূরণ করার সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী লক্ষ্য সামনে রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশীয় গ্যাসের ঘাটতি সম্পূর্ণ শূন্যে নামিয়ে আনার এক উচ্চাভিলাষী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান, কূপ খনন কার্যক্রম জোরদারকরণ, অফশোর বা গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি এবং এলএনজি (LNG) আমদানির অবকাঠামো সুসংহত করার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ সংকটমুক্ত করার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রাকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করে মনে করছেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অপচয় রোধের কার্যকর নীতিগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে তা দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে।