বিশেষ প্রতিনিধি: নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এনে এক অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা, ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তা এবং নিচ্ছিন্দ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে গোটা উপজেলার সব কটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোটগ্রহণ একই দিনে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইতোপূর্বে ধাপে ধাপে কিংবা আলাদা দিনে ভোটগ্রহণের ফলে যে প্রশাসনিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হতো, তা নিরসনে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে যুগান্তকারী বলে মনে করা হচ্ছে।
সিদ্ধান্তের মূল প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
নিরাপত্তার নতুন ছক: একযোগে সব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ায় পুরো উপজেলাজুড়ে একযোগে সর্বোচ্চ মাত্রার বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা সম্ভব হবে। বহিরাগতদের প্রভাব বিস্তার বা এক ইউনিয়নের লোক অন্য ইউনিয়নে গিয়ে সহিংসতা সৃষ্টির সুযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হবে।
প্রশাসনিক গতিশীলতা: পৃথক দিনের পরিবর্তে একদিনেই মূল প্রশাসনিক কাজ শেষ হওয়ায় সরকারি ব্যয় কমার পাশাপাশি সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ পরিচালনা করতে সুবিধা হবে প্রিজাইডিং ও রিটার্নিং অফিসারদের।
উৎসবমুখর নির্বাচনী আমেজ: গোটা উপজেলায় একদিনেই সব কেন্দ্রের ভোট সম্পন্ন হবে বলে ওই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং এক সার্বজনীন উৎসবমুখর পরিবেশ গড়ে উঠবে।
উপজেলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এই সিদ্ধান্তের খবর। ভোটারদের মাঝে কাজ করছে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনা। সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, একদিনে সব ভোট হয়ে গেলে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আধিপত্য থাকবে না এবং তারা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে সমন্বিত রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ শুরু করে দিয়েছে। অতি দ্রুত নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নির্বাচনী লড়াই।
এ জাতীয় আরো খবর..