ইরানের সঙ্গে কোনো পরমাণু চুক্তি না-ও হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ধরনের পরিস্থিতিতে তেহরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার দিকেই ওয়াশিংটন মনোনিবেশ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট।
সম্প্রতি এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইট জানান, ইরানের বর্তমান সরকারের পর নতুন কোনো সরকার ক্ষমতায় এলে হয়তো একটি সমঝোতা বা চুক্তি হতে পারে, তবে তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি না-ও হতে পারে। ট্রাম্পের দাবি, সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের নেতৃত্বে মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। অথচ শুরুতে এই পরমাণু চুক্তি বাস্তবায়ন করাই ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি।
পরমাণু চুক্তি ছাড়া ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে কীভাবে বিরত রাখা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রিস রাইট স্পষ্ট করেন যে, চুক্তি না হলে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করে দেওয়ার পথেই হাঁটবে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের সামরিক শক্তি প্রসঙ্গে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী আরও বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য ইরান পূর্বে বিশাল পরিকাঠামো বা অবকাঠামো গড়ে তুলেছিল এবং সাম্প্রতিক সময়ে তারা যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ছুরেছে তা সেখান থেকেই উৎপাদিত। তবে মার্কিন অভিযানের পর নতুন করে আরও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার সেই সক্ষমতা এখন আর ইরানের নেই বলে দাবি করেন তিনি।