×
সদ্য প্রাপ্ত:
খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০২-০৬
  • ২১৫ বার পঠিত

সুজন চক্রবর্তী, আসাম ( ভারত) প্রতিনিধিঃ
বিনা অনুমতিতে বসবাসকারী ১০৪ জন ভারতীয়কে ইতিমধ্যে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। কিন্তু তাঁদের যেভাবে ফেরত পাঠানো হয়েছে তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। কারণ একাধিক ছবি ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, তাঁদের সকলের কোমরে বাঁধা রয়েছে চেন। যদিও ভারত সরকার দাবি করেছে, ওই ছবি ভারতীয়দের নয়। কিন্তু আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে আসা এক নাগরিক জানাচ্ছেন অন‍্য কথাই। প্রথম দফায় দেশে ফিরে আসা ১০৪ জনের মধ‍্যে রয়েছে যশপাল সিং(৩৬)। তিনি পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরের বাসিন্দা। তাঁর কথায়, মার্কিন সামরিক বিমানে তাঁদের আনার সময়ে হাত পা চেন দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। একমাত্র ভারতে বিমান অবতরণ করার পরই তাঁদের সেই বাঁধন খোলা হয়। যশপাল বলেছেন, " আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম আমাদের আবার কোনও ডিটেনশন ক‍্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কারণ আমাদের সকলের হাতে হাত কড়ি এবং পা চেন দিয়ে বাঁধা ছিল কিন্তু পরে জানতে পারি আমরা দেশে ফিরছি। তিনি এ ও জানান, আমেরিকা যাওয়ার পর তাঁদের ১১ দিন ডিটেনশন সেন্টারে কাটতে হয়েছিল। ৩০ লক্ষ টাকা খরচ করে ডাংকি রুটে আমেরিকা গেছিলেন যশপাল। এতে তাঁর সময় লেগেছিল ৬ মাস। তিনি জানিয়েছেন, প্রথমে ইউরোপ গিয়ে তারপর সেখান থেকে ব্রাজিল গেছিলেন তিনি। তারপর আরও একাধিক দেশ ঘুরে আমেরিকা পৌঁছান। তাঁর এজেন্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বৈধ ভিসা করিয়ে দেবেন। কিন্তু তা হয়নি। ২৪ জানুয়ারি তিনি আমেরিকা সীমান্তে ধরা পড়েন। ফেরত আসা ভারতীয়দের প্রায় সকলেই ডাংকি রুটে গেছিলেন আমেরিকায়। কারও ২০ লক্ষ, তো কারও ৩৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে তাতে। হরবিন্দর নামের এক যুবক  জানিয়েছেন, জঙ্গল, পাহাড়, নদী সব পেরিয়ে তাদের যেতে হয়েছে। ডাংকি রুটে কয়েকজনকে মারা যেতেও দেখেছেন তিনি। এছাড়া অনেকের জামাকাপড় থেকে শুরু করে বহু জিনিস চুরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat