×
সদ্য প্রাপ্ত:
জ্বালানির দাম বাড়ায় ক্ষোভে উত্তাল সারাদেশ এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের ও প্রথম স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে নোয়াখালীতে আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার লঘুচাপের প্রভাবে দেশের ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা “মেঘের গর্জন আর বৃষ্টির তাণ্ডবে কুপোকাত রাজধানী” ইউরোপে রুশ ‘হাইব্রিড হামলার’ হুমকি বেড়েছে: ম্যাক্রোঁ বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর রাজধানীতে নাশকতা ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার,২০০'র বেশি চেকপোস্ট: ডিএমপি সৌদির রাজধানী রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা জারির পর শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ ৪৯৫ উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে অর্থ বিভাগ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-২২
  • ২৫ বার পঠিত

বাংলাদেশে এক নারীর সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশি তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং বাংলাদেশ পুলিশের নথি থেকে নাম কাটাতে ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার (প্রায় ৭৮ লাখ টাকা) ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ায় এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৫১ বছর বয়সী ওই অভিযুক্ত কুইন্সল্যান্ডের ইপসউইচের রেডব্যাংক প্লেইন্সের বাসিন্দা। ব্রিসবেন ম্যাজিস্ট্রেটস কোর্টে তাঁকে হাজির করার কথা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের (এএফপি) তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে দেশটির ক্রিমিনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় করা এ মামলায় সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের উদ্দেশ্যে বিদেশি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে এএফপির পক্ষ থেকে কাউকে আদালতে তোলার ঘটনা এটিই প্রথম।

যেভাবে শুরু তদন্ত:

এএফপি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের কয়েকজনের সঙ্গে যোগসাজশে কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার উদ্দেশ্যে অর্থ স্থানান্তরের ষড়যন্ত্র করেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে চলমান একটি হত্যা মামলার তদন্তের গতিপথ পরিবর্তন করা এবং পুলিশি নথি থেকে অভিযুক্তের নাম সরিয়ে ফেলা।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কুইন্সল্যান্ড পুলিশ বিদেশে নিখোঁজ এক ব্যক্তিকে নিয়ে করা একটি প্রতিবেদন এএফপির কাছে পাঠানোর পর এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়। নিখোঁজ ওই নারী অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিক ছিলেন। এর পরদিন বাংলাদেশ পুলিশ জানায়, তারা ওই নারীর মরদেহ বলে ধারণা করা একটি দেহ উদ্ধার করেছে এবং পরবর্তীতে ফরেনসিক পরীক্ষায় তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর ঘটনাটিকে ‘সন্দেহজনক’ বলে অভিহিত করে। অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত নাগরিক বা বাসিন্দার বিদেশে হত্যা বা গুরুতর ক্ষতির ঘটনা অস্ট্রেলিয়ার ক্রিমিনাল কোডের ডিভিশন ১১৫-এর আওতায় পড়ায় এএফপিও তদন্ত শুরু করে। এর অংশ হিসেবে সিডনি ও ব্রিসবেনের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেনের নথি ও ব্যাংকসংক্রান্ত কাগজপত্র জব্দ করা হয়।

অভিযান ও গ্রেপ্তার:

গত ২১ সেপ্টেম্বর এএফপির কর্মকর্তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেন। একই দিন গুডনা ও রেডব্যাংক প্লেইন্সে বেশ কয়েকটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়, যা বর্তমানে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

এএফপির কমান্ডার স্টিফেন জে এ বিষয়ে বলেন, অস্ট্রেলিয়া বা অন্য কোনো দেশে তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার যেকোনো চেষ্টা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। বিচারপ্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ বা তদন্তের গতিপথে প্রভাব বিস্তারকারীদের কঠোর জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এএফপির বিদেশি ঘুষবিরোধী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেওয়া ‘টাস্কফোর্স সোলারিস’ এই মামলার তদন্ত পরিচালনা করছে। সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে এএফপির পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের পৃথক তদন্তও বর্তমানে চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat