গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পৈতৃক ও এজমালি জমিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে এক ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমিতে পুকুর খনন বন্ধ ও বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মো. হামিদুল ইসলাম ব্যাপারী নামে এক ব্যক্তি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর ওই আবেদন করা হয়।
আবেদনে হামিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তিনি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হিয়াতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তফশিলভুক্ত জমিতে তিনি, তার পাঁচ ভাই-বোন ও মা উত্তরাধিকার সূত্রে অংশপ্রাপ্ত হয়ে এজমালি হিসেবে ভোগদখল করে আসছেন। জমিটি বি আর এস ২৬০ নম্বর খতিয়ানে তার পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, ওই খতিয়ানের ৮৭০ নম্বর দাগের জমিতে তার বড় ভাই মো. হারুন আর রশিদ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে মাটি কেটে পুকুর খনন করছেন। পাশাপাশি ৮৭১ নম্বর দাগের জমি দখলের অভিযোগও করা হয়েছে।
আবেদনকারী আরও অভিযোগ করেন, পরিবারের সদস্যরা পুকুর খননে বাধা দিলে হারুন আর রশিদ তাদের বাধা উপেক্ষা করে ওই জমিতে পুকুর খনন ও মাছ চাষ করার কথা জানান। এ সময় তাদের মারপিট ও ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় জমিতে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, এমনকি সংঘর্ষ ও হতাহতের আশঙ্কা করছেন বলে আবেদনে জানিয়েছেন হামিদুল ইসলাম।
তিনি বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে তফশিলভুক্ত জমিতে পুকুর খনন বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তফশিল: জেলা-গাইবান্ধা, উপজেলা-গোবিন্দগঞ্জ, মৌজা-হিয়াতপুর, জে এল নং-৩৩২, বি আর এস খতিয়ান নং-২৬০, দাগ নং-৮৭০ (ভিটা) ও ৮৭১ (বাড়ি)।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. হারুন আর রশিদের বক্তব্য জানা যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..