×
সদ্য প্রাপ্ত:
সাইবার অপরাধ দমনে ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব বৃদ্ধির উদ্যোগ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের : যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে সমর্থন জানালেন তারেক রহমান সীতাকুণ্ডে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সার জব্দ, আটক ২ ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে একযোগে অভিযানে আটক ৬২৪ গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী নাশকতায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক ৪ দিনের রিমান্ডে জ্বালানির দাম বাড়ায় ক্ষোভে উত্তাল সারাদেশ
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১২-০২
  • ১৭৫ বার পঠিত
দেশে শুধু ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ মন্দ ঋণ তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত পরিমাণ দিয়ে এমআরটি-৬ এর মতো ১৪টি ‘মেট্রো সিস্টেম’ অথবা ২৪টি ‘পদ্মা সেতু’ নির্মাণ সম্ভব ছিল। দেশের অর্থনীতিতে দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তের ভিত্তিতে করা শ্বেতপত্রে এসব কথা বলা হয়েছে।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করার কথা রয়েছে। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে তৈরি করা প্রতিবেদনটি রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে ব্যাংক থেকে যেসব ঋণ দেওয়া হয়েছে, সেখানে রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট ছিল। আর এই প্রভাব ব্যাংকিং খাতের সংকটকে আরও গভীর করেছে। আলোচ্য সময়ে যে পরিমাণ ঋণ মন্দ বা বিপর্যস্ত হয়েছে, তা ১৪টি ঢাকা মেট্রো সিস্টেম অথবা ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণের খরচের সমতুল্য। ক্রমাগত ঋণখেলাপি ও হাই প্রোফাইল কেলেঙ্কারি আর্থিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছে এবং মূলধনকে উৎপাদনশীল খাত থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

এতে আরও হয়, বিগত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ব্যাংক খাত। নামে-বেনামে ঋণ বের করা, বিদেশে অর্থপাচারসহ কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের মতো ঘটনাও ঘটেছে। ফলে ব্যাংক খাতের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নেমে গেছে শূন্যের কোঠায়, এখন যার চড়া মূল্য দিচ্ছে ব্যাংকসহ পুরো দেশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রবাসে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো গত ১০ বছরে ভিসার জন্য হুন্ডির মাধ্যমে ১৩.৪ লাখ কোটি টাকা লেনদেন করেছে। এই টাকা ঢাকা এমআরটি লাইন-৬ (উত্তরা থেকে মতিঝিল) নির্মাণ ব্যয়ের চার গুণ। সিন্ডিকেট এবং এই শোষণমূলক নিয়োগের কারণে অভিবাসী শ্রমিকরা ন্যায্য কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ কমেছে।


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat