দেশের গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং সার্বিক সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও সুনির্দিষ্ট সুপারিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অংশীজনদের এই সম্মিলিত মতামতের ওপর ভিত্তি করেই গণমাধ্যম সুরক্ষা সংক্রান্ত খসড়া নীতি বা আইন চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল দিকসমূহ ও প্রেক্ষাপট:
সাংবাদিকতার অনুকূল পরিবেশ: পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গণমাধ্যমকর্মীরা যাতে কোনো ধরনের বাধা, হুমকি বা ভয়ের মুখে না পড়েন এবং তাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়, তা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
সবার অংশগ্রহণ ও মতামত: কোনো রকম একতরফা সিদ্ধান্ত না নিয়ে সাংবাদিক নেতা, সম্পাদক, গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সুচিন্তিত পরামর্শ নিয়ে একটি বাস্তবসম্মত রূপরেখা তৈরি করা হবে।
দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা: স্বাধীনতা যেমন জরুরি, তেমনি সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, এই উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা গণমাধ্যম সুরক্ষা ও সাংবাদিকদের আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পথ আরও সুগম হবে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ জোরদার হবে।