বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে জীবনরক্ষাকারী বিভিন্ন টিকা এবং ক্যানসারের ওষুধ রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যকার ওষুধ খাতের পারস্পরিক বাণিজ্য ও সহযোগিতাকে আরও জোরদার করতে এই খাতটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট ও সম্ভাবনা:
ওষুধ শিল্পের আন্তর্জাতিক মান: বর্তমানে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ মেটানোর পাশাপাশি বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশে গুণগত মানের ওষুধ রপ্তানি করছে। বিশেষ করে বিশ্বমানের অ্যান্টিবায়োটিক, জীবনরক্ষাকারী টিকা এবং জটিল রোগের বিশেষ করে ক্যানসারের ওষুধ উৎপাদনে বাংলাদেশের সক্ষমতা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
পাকিস্তানের বাজারে চাহিদা: পাকিস্তানে আমদানিকৃত মানসম্মত ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চমানের ওষুধ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকায় পাকিস্তানি বাজারে বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা: স্বাস্থ্য খাতের এই বাণিজ্যের প্রসার কেবল দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককেই দৃঢ় করবে না, বরং চিকিৎসা বিজ্ঞান, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
খুব শীঘ্রই দুই দেশের সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য প্রতিনিধিদের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।