×
সদ্য প্রাপ্ত:
নোয়াখালীতে আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার লঘুচাপের প্রভাবে দেশের ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা “মেঘের গর্জন আর বৃষ্টির তাণ্ডবে কুপোকাত রাজধানী” ইউরোপে রুশ ‘হাইব্রিড হামলার’ হুমকি বেড়েছে: ম্যাক্রোঁ বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর রাজধানীতে নাশকতা ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার,২০০'র বেশি চেকপোস্ট: ডিএমপি সৌদির রাজধানী রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা জারির পর শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ ৪৯৫ উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে অর্থ বিভাগ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আগস্ট মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জনের প্রাণহানি ফের বন্ধ চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-২০
  • ২৭ বার পঠিত
প্রণয় দাশ গুপ্ত শিমুল | চট্টগ্রাম ব্যুরো

শুভ গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক বলুয়ার দিঘি মাঠে সনাতনী ভক্তদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অভয় মিত্র মহাশ্মশানঘাট প্রাঙ্গণে চট্টগ্রামের জনপ্রিয় সনাতনী ব্যান্ড টিম শ্রীকৃষ্ণের বর্ণাঢ্য লাইভ কনসার্টে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

বিকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তরা দলে দলে আসতে শুরু করেন। সন্ধ্যা ৬টার পর ভিড় বাড়তে থাকে। আয়োজক কমিটির তথ্য অনুযায়ী, কনসার্ট শুরু হওয়ার আগেই প্রায় চার হাজারের বেশি ভক্তের উপস্থিতিতে মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। শিশু থেকে বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল বয়সের মানুষের উপস্থিতিতে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চে টিম শ্রীকৃষ্ণ উঠতেই ‘জয় শ্রীকৃষ্ণ’ ও ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। এরপর একে একে পরিবেশিত হয় জনপ্রিয় কৃষ্ণভজন, হরিনাম সংকীর্তন, শিববন্দনা ও আধুনিক ভক্তিমূলক গান। আধুনিক ব্যান্ডের আদলে ড্রামস, কিবোর্ড, লিড গিটার ও বাঁশির সমন্বয়ে প্রতিটি গান পায় নতুন মাত্রা। শিল্পীদের সুরেলা কণ্ঠ ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনা দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে।

এই কনসার্টে দর্শকরা শুধু শ্রোতা হয়ে থাকেননি, তারাও হয়ে ওঠেন অনুষ্ঠানের অংশ। গানের তালে তালে হাততালি, নাচ, উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনিতে পুরো মাঠ মুখরিত হয়। অনেক প্রবীণ ভক্তকে খোল-করতাল হাতে কীর্তনে মেতে উঠতে দেখা যায়। তরুণ প্রজন্ম মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে আলোর সমুদ্র তৈরি করে শিল্পীদের সাথে কণ্ঠ মেলায়।

অনুষ্ঠানে আগত রাহুল দাশ নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম ধর্মীয় অনুষ্ঠান মানেই গতানুগতিক। কিন্তু টিম শ্রীকৃষ্ণ প্রমাণ করেছে ভক্তিমূলক গানও কতটা আধুনিক ও প্রাণবন্ত হতে পারে। এমন আয়োজন তরুণদের ধর্মের প্রতি আরও বেশি আকৃষ্ট করবে।”

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণেশ চতুর্থী শুধু পূজা নয়, এটি সনাতনী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উৎসব। নতুন প্রজন্ম যাতে নিজেদের শেকড় ভুলে না যায়, তাদের মাঝে ভক্তি ও সংস্কৃতির বীজ বপন করতেই এই আয়োজন। তারা আরও জানান, সনাতনী সংস্কৃতিকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরতে ভবিষ্যতেও টিম শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat