×
সদ্য প্রাপ্ত:
চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-১৪
  • ২৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ পুলিশের শৃঙ্খলার ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে, ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ বা ‘পজিটিভ’ রিপোর্ট আসায় একজন পুলিশ সুপার (SP) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপটি বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে কর্মরত সকল সদস্যের জন্য একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে মাদকাসক্তি ও শৃঙ্খলার ব্যাপারে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদানের সময় এবং পরবর্তীতে সন্দেহভাজন কর্মকর্তাদের নিয়মিত ডোপ টেস্ট (Dope Test) করার প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের গোপন তথ্য পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় তার ডোপ টেস্ট সম্পন্ন করা হয়। পরীক্ষায় তার নমুনাতে নির্দিষ্ট কিছু মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়, যা পেশাগত শৃঙ্খলার চরম পরিপন্থী।

ডোপ টেস্টে রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরপরই বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এবং চূড়ান্ত তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত (Temporary Suspension) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পুলিশে মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স (Zero Tolerance) নীতি ঘোষণার পর এটিই প্রথম SP পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ডোপ টেস্টের ভিত্তিতে বরখাস্তের ঘটনা। এর আগে ডিএমপিসহ বিভিন্ন ইউনিটের কয়েকশ কনস্টেবল, এসআই ও ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে একই অপরাধে বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

তবে, প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে একজন পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা এই অভিযানের গভীরতা ও নিরপেক্ষতা প্রমাণ করে।

সাময়িক বরখাস্তের পর এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বরখাস্তের পর তার বিরুদ্ধে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে।

তদন্ত কমিটির মাধ্যমে চূড়ান্ত তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত (Dismissal from Service) করা হতে পারে।  তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের মামলাও দায়ের করার আইনি সুযোগ রয়েছে, বিশেষ করে যদি তিনি মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বাহিনীর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে মাদকের ব্যাপারে কোনো আপস করা হবে না এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat