×
সদ্য প্রাপ্ত:
হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল: ইসি আনোয়ারুল জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী: রাষ্ট্রীয় ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা এনবিআরের আন্দোলন: ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ ঠাকুরগাঁওয়ের পথে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-০৯
  • ১৮ বার পঠিত

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র এবং সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রীয় শীর্ষ ব্যক্তিদের পদবির আগে ব্যবহৃত সনাতন সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারে বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক নথিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে 'মহামান্য' বা 'মাননীয়' জাতীয় শব্দ আর লেখা যাবে না।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক বিশেষ পরিপত্রে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে যা বলা হয়েছে

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে রাষ্ট্রীয় কাজ ও দাপ্তরিক নথিপত্রে—

  • রাষ্ট্রপতির পদবির আগে 'মহামান্য'

  • প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে 'মাননীয়'

বা অন্য যেকোনো ধরনের বিশেষ সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা বন্ধ থাকবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও অধীনস্থ সংস্থাগুলোকে সব ধরনের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক যোগাযোগে সরাসরি পদবি ব্যবহারের আদেশ পালন নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

নির্দেশনার কার্যকারিতা ও ব্যাপ্তি

ক্ষেত্রপূর্বের নিয়মনতুন নির্দেশনা (কার্যকর ৯ সেপ্টেম্বর)
রাষ্ট্রপতিমহামান্য রাষ্ট্রপতিরাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রীমাননীয় প্রধানমন্ত্রীপ্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীমাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীমন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রী

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সূত্রের মতে, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য সরকারি নথি সহজীকরণ এবং আধুনিক প্রশাসনিক সংস্কৃতির প্রয়োগ ঘটানো। জারিকৃত এই নির্দেশনা আজ থেকেই দেশের সব সরকারি দপ্তরে কার্যকর হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat