×
সদ্য প্রাপ্ত:
খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোরে ভূরাজনৈতিক শঙ্কা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-০৭
  • ৫১ বার পঠিত

জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতাকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে স্পিকার উপহাসমূলক আচরণ করেছেন বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। স্পিকারের এই ধরনের পদক্ষেপকে তিনি অসংগত ও ঘোর হতাশাজনক হিসেবে অভিহিত করেন।

গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল’, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল’ এবং ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল’ গ্রহণের প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা সংসদকক্ষ ত্যাগ করেন। বিরোধী পক্ষ এ ঘটনাকে সংসদের ইতিহাসে একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

নাহিদ ইসলামের মতে, বিরোধী দলীয় নেতা বক্তব্য দেওয়ার জন্য সময় প্রার্থনা করলেও স্পিকার তা মঞ্জুর না করে বিষয়টি নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেন। নিরপেক্ষ পদের কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে এমন অসদাচরণ একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নিরাশাজনক।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিরোধী পক্ষের মতামতকে তোয়াক্কা না করে সরকার তড়িঘড়ি করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল’ পাস করিয়ে নিয়েছে। পাস হওয়া আইনে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের পর্যাপ্ত অবকাশ রাখা হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, সদ্য গৃহীত ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল’-এর বিরোধিতা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় প্রতিনিধি নজিবুর রহমান। বিলটি ধর্মীয় বিধান ও সুন্নাহর অনুশাসনের পরিপন্থি বলে তিনি মন্তব্য করেন। আইনমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, ইসলামী আইন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি সংসদে ভুলভাবে পেশ করা হয়েছে।

নজিবুর রহমান বলেন, সংসদের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে স্পিকারের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত ছিল, যা তিনি করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কার্যকর বিধান তৈরির বদলে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্বল আইন পাস করেছে। নতুন আইনগুলোকে ‘কালো আইন’ আখ্যা দিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এর মাধ্যমে নাগরিকদের অধিকার আরও সংকুচিত হবে এবং অন্যায্য গুম ও হত্যাকাণ্ডের সুযোগ রয়ে যাবে। বিগত দীর্ঘ সময়ের নিপীড়নের ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিয়ে সরকার পুরনো পথেই হাঁটছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat