রাজনৈতিক দলগুলোকে সংঘাত-সংঘর্ষের পথ পরিহার করে আলাপ-আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমরা ঠাকুরগাঁওসহ সমগ্র দেশে কোনো প্রকার সংঘাত, সংঘর্ষ কিংবা রক্তপাত দেখতে চাই না। দেশের রাজনীতিতে আমরা সংঘাতের বদলে সমঝোতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। যারা সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণের কল্যাণে কাজ করে, আমরা সবসময় তাদের পাশে থাকতে চাই।”
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি স্পষ্ট করেন, দেশে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক বিভেদের স্থান থাকবে না; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এখানে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে মিলেমিশে বসবাস করবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকার বিষয়ে তিনি পুনরুল্লেখ করেন, হানাহানি ও অশুভ প্রতিযোগিতা পরিহার করে আলোচনার টেবিলে বসে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধির পথে ধাবিত করতে হবে।
দেশের উদীয়মান যুবসমাজের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি আহ্বান জানান, কেবল সরকারি চাকরি কিংবা ঠিকাদারির পেছনে সময় অপচয় না করে নিজেদের উদ্যোক্তা ও স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তিনি যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে দূরে থেকে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে এমন এক মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে মানুষের প্রতি মানুষের সহানুভূতি ও ভালোবাসা বজায় থাকবে।”
বক্তব্যের শেষাংশে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্ত করেন, নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক ধারা অক্ষুণ্ণ রাখতে তারা কাজ করে যাবেন।
এ জাতীয় আরো খবর..