জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে (UNGA-81) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঐতিহাসিক নিউইয়র্ক সফর সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। এই সফরে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ মোট ৩০টি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মাহদী আমিন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই ব্যস্ততম সফরে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
সফরের উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ:
১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক: জাতিসংঘের সাইডলাইনে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে ১১টি ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়।
৩০টি ব্যস্ত কর্মসূচি: জাতিসংঘে ভাষণ প্রদান, ‘৩আর’ কৌশল ও ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ প্রস্তাব উপস্থাপন, বিনিয়োগ সম্মেলন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানসহ মোট ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।
অর্থনৈতিক কূটনীতি ও চুক্তি: সফরকালে বাংলাদেশের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করার লক্ষ্যে প্রায় ৩০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।
প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি কেবল উজ্জ্বলই করেনি, বরং কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সফল এই সফর শেষে আজ রাতেই প্রধানমন্ত্রী দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।