বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, সংঘাত ও অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ করে মারণাস্ত্রের পরিবর্তে পারস্পরিক সংলাপ ও যুক্তিতর্ককে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণের জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ আলোচনায় বিশ্বমঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই শান্তির বার্তা দেন।
বক্তব্যের শুরুতেই বৈশ্বিক ভূরাজনীতির বর্তমান অস্থিরতা ও সংঘাতের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবসভ্যতার টিকে থাকার জন্য অস্ত্রের প্রতিযোগিতা কোনো সমাধান হতে পারে না। সংঘাতের পথ পরিহার করে যেকোনো আন্তর্জাতিক বিরোধ নিরসনে কূটনীতি, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং যৌক্তিক সংলাপই একমাত্র কার্যকর পথ হওয়া উচিত।
তিনি বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে বলেন, “মারণাস্ত্র তৈরির পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় না করে সেই সম্পদ যদি মানবকল্যাণ, দারিদ্র্য বিমোচন এবং বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় ব্যবহার করা হয়, তবেই একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।”
রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে বিশ্বসম্প্রদায়কে আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সবসময় শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে বিশ্বশান্তি রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখবে। তার এই সময়োপযোগী ও শান্তিভিত্তিক বক্তব্য জাতিসংঘে উপস্থিত বিশ্বনেতাদের মধ্যে গভীর রেখাপাত করেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।