বালু দিয়ে নদী ভরাট ও তীরভূমি দখলের অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় দায়ের করা মামলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ব্যবস্থাপকসহ চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।
এছাড়া নদী ভরাটের কাজে বালু বহন ও সরবরাহে যুক্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘সোহা মেসার্স মদিনার পথ’-এর মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষায় গঠিত টাস্কফোর্স ও বিআইডব্লিউটিএ’র উচ্ছেদ অভিযান ও পরিদর্শনের ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় বালু নদী পরিদর্শনে যান পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা। এ সময় তারা দেখতে পান যে, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষ থেকে বালু নদীর তীরভূমি ও নদীগর্ভের প্রায় সাড়ে ১২ হাজার বর্গফুট এলাকা বালু দিয়ে অবৈধভাবে ভরাট করা হয়েছে।
এই ঘটনায় গাজীপুরের টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বাদী হয়ে খিলক্ষেত থানায় মামলা দায়ের করেন।