ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার পূর্বশর্ত হিসেবে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা। দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক ও আস্থার সম্পর্ক স্থাপন অসম্ভব বলে জানানো হয়েছে।
জুলাই-আগস্টের গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোতে বিচারের মুখোমুখি করতে তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্রের নিকট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণের আবেগ ও ন্যায়বিচারের চাহিদাকে সম্মান জানিয়ে হাসিনাকে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় সোপর্দ করাই হবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের সঠিক পথ।
বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে এক ধরনের শীতলতা বিরাজ করছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সরকারের আশ্রয় প্রদান এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাঁর প্রত্যর্পণের দাবি দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে একটি বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তথ্য উপদেষ্টার এই বক্তব্য সরকারের সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও আইনি অবস্থানেরই জোরালো বহিঃপ্রকাশ।