সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় খামিস মুশাইত নগরীতে অবস্থিত কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে’ একযোগে একাধিক ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এ হামলার দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন।
হুথি মুখপাত্রের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, সৌদি বিমান ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়:
বিমান ঘাঁটির ফাইটার জেট হ্যাঙ্গার, রানওয়ে, আধুনিক রাডার স্টেশন এবং বড় ধরনের গোলাবারুদের ডিপো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
একাধিক ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও একঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোনের সমন্বয়ে এই সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করে হুথিরা।
গত পাঁচ দিনে ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে সৌদি জোটের পরিচালিত ৩০০টিরও বেশি বিমান হামলার জবাবে এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, খামিস মুশাইত ও পার্শ্ববর্তী আবহা এলাকায় ব্যাপক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
হামলার পরপরই সৌদি সিভিল ডিফেন্স খামিস মুশাইত ও সংলগ্ন এলাকায় সাময়িক নাগরিক সতর্কতা জারি করে, তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানায়।
সম্প্রতি লোহিত সাগরের কৌশলগত পয়েন্ট বাব আল-মানদেবে হানীশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে এই বিমান ঘাঁটিতে হামলা মধ্যপ্রাচ্য ও লোহিত সাগরের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরণের ঝুঁকি তৈরি করেছে।