×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০২-০৭
  • ১১২ বার পঠিত
মো: রিয়াজ 


 ভালো নেই ঝিনাইগাতী উপজেলার গোমড়া গুচ্ছ গ্রামের বাসীন্দারা। অভাব অনটন দুঃখ আর  দুর্দশাই এ গুচ্ছ গ্রামের বাসীন্দাদের নিত্য সঙ্গী। 

জানা গেছে, ২০১২ সালে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামে নির্মাণ করা হয় এ গুচ্ছ গ্রামটি।  বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট  সিভিআরপি প্রকল্পের মাধ্যমে এ গুচ্ছ গ্রামটি নির্মান  করে উপজেলা প্রশাসন। এগুচ্ছ গ্রামটিতে ৩০ টি ভুমিহীন ও  ছিন্নমূল পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। 
পুনর্বাসনকৃত ৩০ টি পরিবারে  ছোট- বড়, নারী- পুরুষ, শিশুসহ বর্তমানে  প্রায় ২ শত লোকের বসবাস। এগুচ্ছ গ্রামের বাসীন্দারা সবাই দিনমজুর। কয়েকজন ভিক্ষুক,  রিক্সা চালক ও রয়েছে। 

 গুচ্ছ গ্রামের  সভাপতি আব্দুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক জুনাব আলীসহ অন্যান্য গ্রামবাসীর  সাথে কথা বলে জানা গেছে,পরিবারগুলোর  মাথাগোঁজার ঠাঁই হলেও সরকারিভাবে তাদের জন্য  করা হয়নি কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। এখানের বাসিন্দারা  একদিন কাজে না গেলে সেদিন তাদের ঘরে চুলা জ্বলে না। সেদিন তাদের থাকতে হয় অনাহারে অর্ধাহারে। তাদের ভাগ্যে জুটেনা  ভিজিডি কার্ড, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাসহ সরকারি অন্যান্য কোন সাহায্য সহায়তা। চলতি শীত মৌসুমে ছিন্নমূল এ গুচ্ছগ্রামের শীতার্তদের ভাগ্যে জুটেনি একটি কম্বলও। 

ফলে গত একযুগ ধরে এ গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দারা রয়েছেন চরম বিপাকে।  
  শুধু তাই নয় গত একযুগ পুর্বে নির্মিত ঘরগুলো সংস্কারের অভাবে প্রায় বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। গুচ্ছ গ্রামটি নির্মাণের সময় দায়সারাগুছের একটি পুকুর খনন করা হয়। এতে  শুষ্ক মৌসুমী পানি থাকে না। এ পুকুরের পানি গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দারা গবাদিপশু,সবজি খেতে ব্যবহারসহ  গৃহস্থলির নানা কাজে ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু পুকুরটি খননের অভাবে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাচ্ছে না গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা। 

সন্ধ্যাকুড়া বর্ডার রোড় থেকে গোমড়া গুচ্ছ গ্রামে যাতায়াতের প্রায় দুই কিলোমিটার মান্ধাতার আমলের  কাঁচা রাস্তাটি সংস্কার সম্প্রসারন ও পাকাকরণের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের। কিন্তু আজো তা বাস্তবায়িত হয়নি।  ফলে গোমড়া গ্রামে উৎপাদিত কৃষি পণ্য, বনবিভাগের সামাজিক বনের কাঠ সরবরাহ, সীমান্তে বিজিবির টহল কার্যক্রমসহ গ্রামবাসীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দারা গুচ্ছ গ্রামের  সমস্যাগুলো জরুরি ভিত্তিতে সমাধানের আহ্বান জানান। এবিষয়ে নলকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রুকুনুজ্জামানের সাথে কথা হলে তিনি গুচ্ছগ্রামের সমস্যাগুলো দেখবেন বলে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল বলেন সন্ধ্যাকুড়া - গোমড়া  কাঁচা দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা ইটের ছলিং নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করা হবে। এছাড়া গোমড়া গুচ্ছ গ্রামের সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।   
   

ছবির ক্যাপশনঃ ঝিনাইগাতী(শেরপুর) গোমড়া গুচ্ছগ্রামের নারী-পুরুষ ও শিশু।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat