×
সদ্য প্রাপ্ত:
জাতিসংঘে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে সমর্থন জানালেন তারেক রহমান সীতাকুণ্ডে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সার জব্দ, আটক ২ ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে একযোগে অভিযানে আটক ৬২৪ গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী নাশকতায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক ৪ দিনের রিমান্ডে জ্বালানির দাম বাড়ায় ক্ষোভে উত্তাল সারাদেশ এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের ও প্রথম স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে নোয়াখালীতে আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার
  • প্রকাশিত : ২০২০-০৮-২৪
  • ৩৩৪ বার পঠিত

স্বাধীনবাংলা, বরিশাল প্রতিনিধি :
ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। নদ-নদী ও সাগরে জেলেদের মাছ শিকারে ব্যস্ত থাকার কথা। কিন্তু জেলেদের সেই ব্যস্ততা নেই। কারণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপে উপকূলজুড়ে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। তাই নদ-নদী ও সাগর উত্তাল রয়েছে। ফলে মাছ শিকারে যেতে না পেরে উপকূলীয় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বেশিরভাগ জেলে দুর্দিনে রয়েছে।

আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন- এ চার মাস ইলিশের মৌসুম। বছরজুড়ে এ অঞ্চলের জেলেরা এই সময়টারই প্রতীক্ষায় থাকে। কিন্তু স্থানীয় জেলেরা বলছেন, ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর থেকে আশানুরূপ ইলিশ পাচ্ছেন না তারা। সম্প্রতি বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলেরা পড়েছেন আরও বিপাকে।

নদ-নদী ও সাগর উত্তাল থাকায় ট্রলার নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন তারা। মাছ শিকারে যেতে না পেরে চরম দুঃসময় পার করতে হচ্ছে বেশিরভাগ জেলের। মহাজনের দাদন ও ঋণের কিস্তি কিভাবে পরিশোধ হবে, এমন দুশ্চিন্তায় আছেন অনেকে।

মাছ শিকারে যেতে না পেরে বিপাকে থাকা উপজেলার দক্ষিণ চরমোন্তাজ গ্রামের জেলে খালেক হোসেন বলেন, লোনের (ঋণের) কিস্তির জ্বালায় খুব কষ্টে আছি। সংসার চালানের মতো টাহাও (টাকা) পকেটে নাই। বউ-পোলাপান লইয়া খাইয়া না খাইয়া দিন কাটাইতাছি (কাটছে)।

মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৩ হাজার ৭৯৪ জন। অপরদিকে জেলেরা বলছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। এ উপজেলায় শতকরা ৩০-৩৫ ভাগ মানুষ মৎস্য পেশার ওপর নির্ভরশীল।


জেলেরা জানায়, গত ১০ দিন ধরে উপকূলে এমন বৈরী আবহাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তারা। শনিবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়।

কোড়ালিয়া ঘাটের মৎস্য আড়ৎদার নজরুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে আড়তে কোনো ইলিশ আসছে না। আবহাওয়া খারাপ থাকায় সিংহভাগ জেলে নৌকা-ট্রলার নিয়ে এখন তীরে আছে। অনেকে মৎস্য বন্দর মহিপুর গিয়েও আশ্রয় নিয়েছে।

জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, উপকূলে ৩ নম্বর সংকেত এবং লঘুচাপের কারণে বৈরী আবহাওয়া থাকায় জেলেরা নিরাপদে অবস্থান করছে।

আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে জেলেরা মাছ শিকারে যাচ্ছে না। এর কারণে এই মুহূর্তে অসংখ্য জেলে বেকার সময় পার করছে। তবে আশার কথা হলো, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার ভিজিএফ চালের দ্বিতীয় কিস্তি আগামী মাসে বিতরণ করা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat