×
সদ্য প্রাপ্ত:
ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা মিরপুরের সংঘর্ষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা মিরপুরে হকার উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সিটি কর্পোরেশনের গাড়িতে আগুন
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-০৫
  • ২৭ বার পঠিত
মোঃ অলিউদ্দিন মিলন, ​বিশেষ প্রতিনিধি 

​উৎসস্থলে কোনো লাগাম নেই, কেনাবেচায় নেই বাধা, আর ডিলারশিপে নেই কোনো নিষেধাজ্ঞা। অথচ রাজপথে নামলেই ডাম্পিং ও উচ্ছেদ অভিযান কোনো প্রকার বিকল্প কর্মসংস্থান বা সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না করে ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে হুটহাট উচ্ছেদ অভিযান ও পরবর্তীতে তা আবার শিথিল হওয়ার ঘটনা এখন নিত্যদিনের নাটকীয়তায় পরিণত হয়েছে। একদিকে আমদানিকারক ও বিক্রেতারা বহাল তবিয়তে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন, অন্যদিকে রাজপথে ডাম্পিং ও ডাল-ভাত জোগাড়ের চেষ্টায় থাকা দরিদ্র চালকদের ওপর নামছে ভোগান্তির খড়্গ।  

​রাজধানীর প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন পয়েন্টে আন্দোলন ও ধর্মঘটে নেমেছেন ক্ষুব্ধ চালকরা। পুলিশি হয়রানি বন্ধ ও রুট পারমিটের” দাবিতে তাদের এই বিক্ষোভে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল রাজধানীর বহু এলাকা, যার চূড়ান্ত মাশুল দিতে হয়েছে সাধারণ নগরবাসীকে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে পুরো ব্যবস্থার গলদ কোথায়?
  
আমদানি ও বাজারজাতকরণে কড়া ছাড়, রাজপথে কড়াকড়ি:
​যদি ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বা বেআইনিই হয়, তবে দেশে এর যন্ত্রাংশ ও মোটর কীভাবে আমদানি হচ্ছে? আমদানি অনুবিভাগ বা সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থাগুলো কীভাবে এসব ব্যাটারি ও যন্ত্রাংশের ছাড়পত্র দিচ্ছে তা নিয়ে মারাত্মক প্রশ্ন রয়েছে। সীমান্ত থেকে শোরুম পর্যন্ত বাণিজ্য অবাধ রেখে শুধুমাত্র সড়কে এসে চালকদের ধাওয়া করা কোনো টেকসই সমাধান হতে পারে না।

​ডিলারশিপ ও কেনাবেচার অবাধ লাইসেন্স:
​দেশের বড় বড় মার্কেট ও ডিলারশিপ কেন্দ্রগুলোতে অনায়াসে বিক্রি হচ্ছে মোটর, ব্যাটারি ও ফ্রেম। কোনো নীতিগত বাধা না থাকায় বিনিয়োগকারীরা কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে শোরুম খুলছেন। দোকান মালিক সমিতিগুলোও প্রশাসনিক এই দ্বৈত আচরণের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে না কিংবা দ্বিপক্ষীয় সংলাপে স্থায়ী সমাধান আনছে না। ফলে বৈধভাবে কেনাবেচা হওয়া যানটি রাস্তায় নামলেই অবৈধ হয়ে যাচ্ছে!

​বিকল্প ব্যবস্থা ও নিবন্ধনের অভাব:
​একদিকে লাখ লাখ পরিবারের রুটিরুজি জড়িত এই বাহনের সঙ্গে, অন্যদিকে চালকদের অভিযোগ তাদের সুনির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় বা নিবন্ধনে না এনে কেবল অভিযান ও চাঁদা আদায়ের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। ডাম্পিং বা অভিযানের দু-একদিন পর পরিস্থিতি আবার আগের রূপ ধারণ করে, যা সুশাসনের চরম অভাবনিষিদ্ধ বাহনের অবাধ বাণিজ্য ও হুটহাট ডাম্পিং: ব্যাটারি রিকশা ইস্যুতে নীতিহীন নীতি ও সমন্বয়হীনতার বলি সাধারণ মানুষ

সুনির্দিষ্ট নীতিমালার দাবি চালকদের:
​আন্দোলনরত চালকদের ভাষ্য, যদি এটি অবৈধ হয় তবে শুরুতেই বন্ধ করা হোক। আমরা লাখ টাকা খরচ করে রিকশা কিনে রাস্তায় নামার পর কেন আমাদের ওপর অত্যাচার চালানো হবে? তাদের স্পষ্ট দাবি যথাযথ কারিগরি যাচাইয়ের মাধ্যমে রুট পারমিট ও লাইসেন্স প্রদান করা হোক যেন হয়রানি ছাড়াই তারা জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।

হুটহাট উচ্ছেদ অভিযানে নেই। সমাধান হতে হবে উৎস বন্ধ করা অথবা একটি সুনির্দিষ্ট সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করা।ঘ রাজধানীর মূল প্রধান সড়ক বা হাইওয়েতে এগুলো চলাচল নিষিদ্ধ করে নির্দিষ্ট শাখা সড়কগুলোতে নির্দিষ্ট গতির ব্যাটারি রিকশার নিয়মমাফিক নিবন্ধন দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে ব্যাটারি ও মোটরের আমদানি ও কেনাবেচা নিয়ে পরিষ্কার সরকারি সিদ্ধান্ত এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, একদিকে চালক ও যাত্রীদের ক্ষোভ এবং অন্যদিকে নগর জীবনে ভোগান্তি বন্ধ হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat