নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
দেশের পর্যটন শিল্পকে আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত করতে এবং বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিধি আরও সম্প্রসারিত করতে নবনির্মিত অবকাঠামো ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত কক্সবাজার বিমানবন্দর উদ্বোধনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য ও কৌশলগত গুরুত্ব:
আন্তর্জাতিক রুটে সংযোগ: দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত ও বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারকে সরাসরি আন্তর্জাতিক বিমান নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এর ফলে বিদেশি পর্যটকরা সরাসরি কক্সবাজারে যাতায়াত করতে পারবেন।
সম্প্রসারিত রানওয়ে ও আধুনিক সুবিধা: সমুদ্রের বুক চিরে নির্মিত দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ ও আকর্ষণীয় রানওয়েসহ আধুনিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, আধুনিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত হয়েছে এই বিমানবন্দরে।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: এই বিমানবন্দর উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের পর্যটন খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে এক অভাবনীয় গতি আসবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ীরা।