×
সদ্য প্রাপ্ত:
লঘুচাপের প্রভাবে দেশের ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা “মেঘের গর্জন আর বৃষ্টির তাণ্ডবে কুপোকাত রাজধানী” ইউরোপে রুশ ‘হাইব্রিড হামলার’ হুমকি বেড়েছে: ম্যাক্রোঁ বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর রাজধানীতে নাশকতা ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার,২০০'র বেশি চেকপোস্ট: ডিএমপি সৌদির রাজধানী রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা জারির পর শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ ৪৯৫ উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে অর্থ বিভাগ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আগস্ট মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জনের প্রাণহানি ফের বন্ধ চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড সাভারে এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-২০
  • ৪৪ বার পঠিত
মোঃ মিলন, বিশেষ প্রতিনিধি 

হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা, প্রতারিত সাধারণ মানুষ
গাজীপুরের তালহা ভাওয়াল মির্জাপুরে আয়োজিত "গ্রামীন ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ও পণ্য মেলা"-য় প্রবেশ টিকিটের নামে অবাধে চলছে অবৈধ র‍্যাফেল ড্র ও লটারির ব্যবসা। দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করতে নামমাত্র কুটির শিল্পের পসরা সাজানো হলেও মেলার মূল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে র‍্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে মেলায় আসা সাধারণ মানুষের পকেট কাটা।
​অনুসন্ধানে জানা গেছে, কুটির শিল্প পূণ্য প্রসারের কথা বলে মেলা আয়োজনের অনুমতি নেওয়া হলেও মূল প্রাঙ্গণে হস্তশিল্প বা দেশীয় পণ্যের চেয়ে লটারির টিকিট বিক্রির হাঁকডাকই বেশি। প্রতিদিন টিকিটের সাথে লটারির লোভ দেখিয়ে সাধারণ দর্শনার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

​পুরস্কার বণ্টনে ডিজিটাল কারচুপি ও জালিয়াতি
লটারির মাধ্যমে আকর্ষণীয় মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি ও স্বর্ণালঙ্কারসহ বড় বড় পুরস্কার দেওয়ার লোভ দেখানো হলেও বাস্তবে তা সাধারণ মানুষ পায় না। মেলায় আসা ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, লটারি পরিচালনা কমিটি নিজেদের লোকজনের মাধ্যমে বিভিন্ন কৌশল ও কলাকৌশল অবলম্বন করে বড় পুরস্কারগুলো বণ্টন করে নেয়।

​নামমাত্র ছোট পুরস্কার
সাধারণ দর্শনার্থীদের বিশ্বাস ধরে রাখতে এবং আইনি ঝামেলা এড়াতে খুব অল্প মূল্যের ২-১টি ছোট পুরস্কার (যেমন: প্লাস্টিক সামগ্রী বা ছোট ঘড়ি) সর্বসাধারণের মাঝে দেখানো বা প্রদান করা হয়।
​বড় পুরস্কারে সিন্ডিকেট: মোটরসাইকেল বা মেগা পুরস্কারের যেসব টিকিট বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়, সেগুলো আগে থেকেই লটারি পরিচালনা কমিটির নিজস্ব লোক বা সিন্ডিকেটের কাছে নির্ধারিত থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুয়া কুপন নম্বর বিজয়ী বানিয়ে লটারির ড্র সম্পন্ন করা হয়।

​পকেট খালি হচ্ছে সাধারণ মানুষের
প্রতিদিন রাতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে লটারির ড্র আয়োজন করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে। এতে প্রলুব্ধ হয়ে দরিদ্র রিকশাচালক, দিনমজুর ও গ্রাম এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টার্জিত আয় তুলে দিচ্ছেন মেলা কমিটির হাতে। দিনশেষে তারা ফিরছেন খালি হাতে।

প্রশাসনের বক্তব্য
এ বিষয়ে জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, "জেলা প্রশাসক (ডিসি) মহোদয় প্রবেশ টিকিটের ওপর পুরস্কার দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন।"

​স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গ্রামীণ ঐতিহ্য ও দেশীয় শিল্পকে টিকিয়ে রাখার নামে এমন জুয়া ও প্রতারণা মেলাটির মূল উদ্দেশ্যকে কলঙ্কিত করছে। এ ধরনের প্রতারণামূলক লটারি বন্ধে এবং এর সাথে জড়িত অসাধু পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat