দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে পরিচালিত সুদীর্ঘ, নিবিড় ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের ফলশ্রুতিতে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের অত্যন্ত প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার চরম অপব্যবহার, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে টেন্ডারবাজি এবং দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় একশো বাহাত্তর কোটি টাকারও বেশি স্থাবর ও অস্থাবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট ও অকাট্য অভিযোগ এনে আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জশিট বা অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
যা মূলত অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার শীর্ষবিন্দুতে আসীন থেকে দুর্নীতির মাধ্যমে বিশাল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ কুক্ষিগত করার বেআইনি সংস্কৃতি ও অপরাধের বিরুদ্ধে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনের আপসহীন তদন্ত এবং কার্যকর আইনি পদক্ষেপের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ও যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
এবং এই হাইপ্রোফাইল দুর্নীতির মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার মাধ্যমে সরকারি দায়িত্বে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারকারী ও দুর্নীতিবাজদের জন্য আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও কঠোর আইনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে সংশ্লিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজ ও দুর্নীতিবিরোধী বিশ্লেষকগণ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।