২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দমনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি সাদ্দাম হোসেনকে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত উসকানিমূলক ভাষায় "তোমরা মারো না কেন, মারো" বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর. যা মূলত তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ চালানোর সরাসরি প্ররোচনা ও কুৎসিত মানসিকতার এক চরম বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় উপস্থাপিত অকাট্য প্রমাণের বরাত দিয়ে ট্রাইব্যুনালে আরও তুলে ধরা হয় যে, ১১ জুলাই তৎকালীন মন্ত্রিত্ব ও দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে সাদ্দামকে ওই নির্দেশ দেওয়ার ঠিক পরপরই ১৬ জুলাই আবু সাঈদ ও ওয়াসিমসহ বেশ কয়েকজন সাহসী শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে পৃথিবী থেকে চিরতরে বিদায় করে দেওয়ার পাশাপাশি প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু ও আহত করা হয়েছিল. যা তৎকালীন সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের সরাসরি নির্দেশ, সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার অখণ্ড দলিল হিসেবে সমগ্র দেশবাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে.
এ জাতীয় আরো খবর..