×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৪
  • ১৩৫ বার পঠিত
মোঃ অলি উদ্দিন মিলন বিশেষ প্রতিনিধি 

​মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, "আমরা অনেক সময় জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কথা বলে থাকি তবে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিতে আমাদের কাজ করতে হবে।"
​বুধবার সকালে হোটেল ওয়েস্টিনে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাই কমিশন আয়োজিত ফ্লেমিং ফান্ড লেগাসি ইন বাংলাদেশ: ট্যাকলিং এএমআর থ্রু ওয়ান হেলথ অ্যাপ্রোচ' শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
​নিরাপদ খাদ্য ও এসডিজি নিশ্চিতকরণে নিয়ন্ত্রণ জরুরি
​উপদেষ্টা বলেন, আমদানি ও রপ্তানিতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ডব্লিউটিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), বিশেষ করে এসডিজি-২ বা ক্ষুধা দূরীকরণ নিশ্চিত করতে খাদ্য উৎপাদন ও প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিক এবং পেস্টিসাইড ব্যবহারের সঠিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাকে তিনি দায়িত্বের অংশ বলে মনে করেন।
​ফরিদা আখতারের মতে, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, সস্তা পোলট্রি উৎপাদনের জন্য অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দরিদ্র জনগোষ্ঠী।
​ওয়ান হেলথ' পদ্ধতির গুরুত্ব ও ফ্লেমিং ফান্ডের সহায়তা
​উপদেষ্টা জানান, যুক্তরাজ্য সরকারের ফ্লেমিং ফান্ড ২০২০ সাল থেকে 'ওয়ান হেলথ' পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের এএমআর নজরদারি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিয়ে আসছে। এই উদ্যোগের ফলে কৃষক, ভেটেরিনারিয়ান এবং মাঠ কর্মকর্তাদের সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও দায়িত্বশীল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারে সহায়ক হয়েছে।
​তিনি 'ওয়ান হেলথ' কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মানব স্বাস্থ্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষি সকল ক্ষেত্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। "কেউ কেন্দ্রে নয়; সবাই সমানভাবে অংশগ্রহণ করবে।" নিরাপদ খাদ্য, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে তিনি সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
​অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা
​অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাই কমিশনের উপ-উন্নয়ন পরিচালক মার্টিন ডসন (Martin Dawson)। বাংলাদেশে ফ্লেমিং ফান্ডের প্রধান সাফল্য নিয়ে উপস্থাপনা করেন ফ্লেমিং ফান্ড কান্ট্রি গ্রান্ট টু বাংলাদেশ (এফএফসিজিবি) এর টেকনিক্যাল লিড ড. মো. নূরে আলম সিদ্দিকী।
​এফএফসিজিবি'র টিম লিড প্রফেসর শাহ মনির হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন:
​ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাই কমিশনের উপ-হাই কমিশনার জেমস গোল্ডম্যান (James Goldman)
​স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু জাফর
​মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ
​প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান
​জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশে নিযুক্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়োকুন শি (Mr. Jiaoqun Shi)
​ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ডা. মো. শামীম হায়দার
​অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গবেষক, বিজ্ঞানী এবং সরকারি–বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat