×
সদ্য প্রাপ্ত:
পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-১০
  • ২৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

ইন্দোনেশিয়ার সাথে বর্তমান বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

গত বুধবার (৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আনিস মাত্তার সাথে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ও বাণিজ্য পরিসংখ্যান

  • বাণিজ্য ব্যবধান ও ঘাটতি কমানো: বর্তমানে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বার্ষিক প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়ে থাকে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করলেও বিপরীতে রপ্তানি করে মাত্র প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার। এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

  • পিটিএ ও মুক্ত বাজার সুবিধা: দুই দেশের মধ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) নিয়ে ইতিপূর্বে চার দফা আলোচনা হলেও তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ২০২৩ সাল থেকে আলোচনা স্থগিত রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় জানান যে, টেক্সটাইল খাতে প্রতিযোগিতা থাকলেও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব।

  • জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সহযোগিতা: বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি 'পারতামিনাকে' বাংলাদেশের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) টার্মিনাল পরিচালনার প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। পাশাপাশি বাংলাদেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়।

রপ্তানি সম্প্রসারণ ও অন্যান্য খাতসমূহ

  • ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস: বিশ্বের শতাধিক দেশে মানসম্মত ওষুধ রপ্তানির কথা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী ইন্দোনেশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি ওষুধ নিবন্ধনের জটিলতা দূর করার আহ্বান জানান। জাকার্তায় বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্যের একক প্রদর্শনী আয়োজনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • কৃষিপণ্য ও হালাল সনদ: ২০১৫ সাল থেকে স্থগিত থাকা বাংলাদেশি আলু রপ্তানির পথ সুগম করতে পরীক্ষাগার ও নিবন্ধন-সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে পরীক্ষার ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়া হালাল পণ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সরকার-টু-সরকার (G2G) সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে আগামী ১৪ থেকে ১৮ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীর সময় মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান আনিস মাত্তা। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতিসহ উভয় দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat