×
সদ্য প্রাপ্ত:
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-০৮
  • ৩৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর:

তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর উৎপাদনে ফেরার মাত্র দুদিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে দেশের বৃহত্তম দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল)।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে কারখানার বয়লার প্ল্যান্টে হঠাৎ ত্রুটি দেখা দিলে ইউরিয়া সার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে।

উৎপাদন বন্ধের কারণ ও কারখানার বর্তমান অবস্থা

  • বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি: কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় কারখানা বন্ধ থাকায় গত সোমবার গভীর রাতে পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন চালুর পর বুধবার রাতে হঠাৎ বয়লার প্ল্যান্টে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়।

  • উৎপাদনের পরিমাণ: পুনরায় চালুর পর এই দুই দিনে কারখানাটিতে মোট ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়েছে। বর্তমানে কারখানার অন্যান্য ইউনিট সচল থাকলেও সার উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

  • মেরামত কাজ ও প্রত্যাশা: যমুনা সার কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, বয়লার প্ল্যান্টের ত্রুটি দূর করতে প্রকৌশলীরা দ্রুত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আশা করা হচ্ছে, আগামী দুই দিনের মধ্যেই ত্রুটি সারিয়ে কারখানাটি আবারও পুরোদমে উৎপাদনে ফিরতে পারবে।

দীর্ঘমেয়াদী সংকট ও আর্থিক ক্ষতি

  • পূর্বের বন্ধের ইতিহাস: এর আগে গ্যাস সংকট ও নানা কারিগরি জটিলতায় ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ মাস কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ ছিল। এরপর গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি গ্যাসের তীব্র সংকটে আবারও কারখানাটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

  • গ্যাস সংযোগ ও উৎপাদন ক্ষমতা: দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানায় দীর্ঘ আট মাস পর গত ২০ সেপ্টেম্বর পুনরায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। এরপর যাবতীয় কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সোমবার ভোররাতে এটি উৎপাদনে ফিরেছিল।

  • ক্ষতির চিত্র: বিসিআইসির তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে এই কারখানা থেকে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করা হয়। কারখানাটি পুরোপুরি সচল থাকলে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন ও প্রায় ৬০ কোটি টাকা মুনাফা আসে। অথচ কারখানা বন্ধ থাকলেও প্ল্যান্ট সচল রাখার ন্যূনতম প্রক্রিয়ায় প্রতি মাসে শুধু গ্যাস বিল বাবদই প্রায় ৬ কোটি টাকা গচ্চা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat