×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-২৯
  • ১১৫ বার পঠিত

জি,এম ফিরোজ উদ্দিন,
মণিরামপুর,প্রতিনিধি

 চলমান কনকনে শীত উপেক্ষা করে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ইরি-বোরো ধানের চারা রোপন করতে ব্যস্ত সময় পার করছে চাষিরা। এই প্রচণ্ড শীত আর ঘন কুয়াশা, কাবু করতে পারেনি চাষিদের। তবে এখনো পুরোদমে ধানের চারা রোপণ শুরু হয়েছে। এখনো চাষিরা অনেক জমি ধানের চারা রোপনের জন্য তৈরি করছেন এমনটায় দেখাগেছে। শীতের তীব্রতা কমার অপেক্ষা করছেন চাষিরা। তবে এ বছর আমন ধানের দাম একেবারেই কম। এদিকে শীতের তীব্রতা অনেকাংশে বেড়ে গেছে। প্রচণ্ড শীতে ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। তারপরেও ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীত উপেক্ষা করে কৃষকরা ইরি-বোরো ধানের চারা রোপনে ঝুঁকে পড়েছেন। সরেজমিনে মনোহরপুর,খাকুন্দী, কুমারঘাটা সহ  বিভিন্ন এলাকার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কেউ কেউ তীব্র শীত উপেক্ষা করে বীজতলা থেকে চারা তুলে জমা করছেন। আবার কেউ পাওয়ার টিলার দিয়ে চসে জমি তৈরি করছেন। আবার কোথাও কোথাও কৃষকরা তাদের তৈরিকৃত জমিতে ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ করছেন। কোথাও গভীর অথবা অগভীর সেচযন্ত্র দিয়ে জমিতে পানি তুলছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, শীতের তীব্রতা একটু কমে গেলেই কৃষকরা পুরো দমে নেমে যাবে মাঠে। সেই হিসেবে আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ জমিতে ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ কাজ সম্পন্ন হবে ধারণা করা যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে মনোহরপুর  গ্রামের কৃষক মাজিদ,  (৫৬) বলেন, এ বছর মনোহরপুরে মাঠে প্রায় সব আবাদি জমিতে ইরি-বোরো চাষ করার জন্য হালচাষ দিয়ে জমি তৈরি করা হচ্ছে। এখনও অনেক বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন করা হচ্ছে।
একই গ্রামের খাকুন্দী  কৃষক রফিকুল  (৩৫) বলেন, আগাম ধান রোপণ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। শুরুর দিকে শ্রমিক সংকট থাকে না। ধানের রোগ বালাই কম থাকে। তাই আমি প্রতি বছর আগাম ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ করে থাকি। তিনি আরো বলেন, এই শীতের মধ্যে আমার জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করা শেষ হয়েগেছে। কৃষি শ্রমিকের তেমন সংকট নেই।গত কয়েক দিনে সূর্যের দেখা মেলেনি।  আজকের সারা দিনে সূর্যের দেখা মেলেনি মনিরামপুরে মনোহরপুরে। ঘন কুয়াশা ও কনকনে শৈত প্রবাহে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীরা দূরদূরান্ত থেকে উপজেলার সদরে পরীক্ষার হলে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রচন্ড শীতে বেশ কষ্ট পেয়েছে। সকাল থেকে শেষ বিকালেও সূর্যের দেখা না মেলায় শ্রমজীবী মানুষ, শিশু ও বয়ঃবৃদ্ধরা প্রচণ্ড শীতে কাবু হয়ে পড়েছে। শীতের তীব্রতায় অধিকাংশ মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না।  সবারই জবুথবু অবস্থা প্রায়। গৃহপালিত পশুপাখিরাও প্রচন্ড  শীতে কষ্ট পাচ্ছে। শীত থেকে রেহাই পেতে গ্রামীণ জনপদের অনেক মানুষকে খরকুটায় আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করতে দেখা গেছে। লেপ তষকের  মধ্যে সারাদিন জড়োসড় হয়ে কাটাচ্ছে অসুস্থ বয়োবৃদ্ধ মানুষেরা।ছোট ছোট বাচ্চারাও ঘরের ভিতরে লেপের ভিতরে মোবাইল কিংবা বই পড়ে সময় কাটাচ্ছে। সন্ধ্যার পরে রাত যত গভীর হয় শৈত্য প্রবাহ ততই বাড়ছে।শীতে কাহিল হচ্ছে জনজীবন। মনোহরপুরে কৃষক তিনি জানান,এই শীতে ঘর থেকে বেরোনেই দায় কিন্তু কি করবো যোন বিক্রি না করলে খাবো কি।তাই তে পেটের দায় শীতে জমিতে রোপন কাজ করছি।মনোহরপুর বাজারের চায়ের দোকান দার বলেন রবিবারে সন্ধ্যার পরে বাজারে তেমন কোন লোক ছিলো না।রাত আটটার সময় দোকান বন্ধ করে দিলাম।  দরিদ্র ছিন্নমূল মানুষেরা শীতে বেশি কষ্ট পাচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে আশংকা করা যাচ্ছে। তাই সচেতন মহলের পক্ষ থেকে জরুরিভাবে শীত বস্ত্র বিতরণের জন্য সরকারের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat