হামলাকারীরা ভারতের পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা কেউ শতভাগ নিশ্চিত করে বলতে পারছি না যে আক্রমণকারী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে নাকি পালায়নি। পুলিশও নিশ্চিত নয়, আমরাও নই। আমরা দুটি সম্ভাবনা মাথায় রেখেই কাজ করছি। যদি পালিয়ে থাকে, তবে কে সাহায্য করল? আর না পালালে কোথায় আছে বা কার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে—তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
আমরা ফিলিপকে ধরার জন্য আমরা সর্বাত্মক শক্তি আমরা নিয়োগ করেছি। আমরা গোয়েন্দা তৎপরতাও আমরা চালাচ্ছি। কারণ ফিলিপকে ধরা গেলে অনেক কিছুর তথ্য আমরা হয়তোবা বের করতে পারবো, যদি পাচার হয়ে থাকে। আর যদি না হয়ে থাকে, তাহলে ফিলিপের নামটা কেন বারবার আসছে সেটাও আমাদের জন্য জানাটা সহজ হবে।
তিনি আরও বলেন, অভিযানে ফিলিপ স্নালের স্ত্রী ডেলটা চিরান, শ্বশুর ইয়ারসন রংডি এবং মানবপাচারকারী লুইস লেংমিঞ্জাকে আটক করা হয়। পরে তাদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া বারোমারি এলাকা থেকে বেঞ্জামিন চিরাম নামে আরও একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।