×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৯
  • ৯৯ বার পঠিত
জি এম ফিরোজ উদ্দিন , মনিরামপুর (যশোর)

যশোরের মনিরামপুরে শীতের সঙ্গে বাড়ছে লেপ-তোষক তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততা। পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাটবাজারে, দোকানে বা নির্দিষ্ট জায়গায় কারিগররা তুলা ধনুন, কাপড় সেলাই এবং লেপ- তোষক তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এদিকে শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই লেপ-তোষক তৈরি করতে কারিগরদের কাছে ছুটে আসছেন ক্রেতারা। কেউ নতুন লেপ তৈরি করতে আবার কেউবা পুরাতন তুলার সঙ্গে নতুন তুলা মিশিয়ে লেপ-তোষক তৈরি করতে কারিগরদের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। উপজেলার পৌরসভারসহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে জানা গেছে, নভেম্বরের শুরু থেকেই লেপ তোষক তৈরির কাজে ব্যস্ততা বেড়ে যায় কারিগরদের। জানুয়ারি মাস পর্যন্ত চলে মৌসুমী বেচাকেনা। কারিগরদের কেউ হাট-বাজারে, কেউ দোকান বা কারখানায় বসে, আবার কেউ গ্রামে গ্রামে ঘুরে লেপ-তোষক তৈরি করছেন। লেপ-তোষক তৈরির কারিগর গোপাল দাস, চিত্তরঞ্জন দাস, ইব্রাহিম হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও আলামিন হোসেন জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পুরোদমে লেপ-তোষক তৈরির কাজ চলছে। তারা জানান, পৌর এলাকায় লেপ-তোষক তৈরির প্রায় ১০-১৫টি দোকান আছে। এসব দোকানে ৩-৪ জন শ্রমিক কাজ করেন।
এছাড়াও ইউনিয়ন পর্যায়ে শ্যামকুড়, নেহালপুর, কুলটিয়া, খেদাপাড়া, চালুয়াহাটি ও মশ্মিমনগর হাট-বাজারে লেপ-তোষক তৈরির ধুম পড়ে গেছে। কারিগর নিরঞ্জন দাস বলেন, তুলা, কাপড় ও সুতার দাম এবং শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় এ বছর লেপ-তোষক তৈরির ব্যয় বেড়ে গেছে। তিনি জানান, লেপ তৈরির কার্পাস তুলা প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, তোষক তৈরির ব্লেজার তুলা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গার্মেন্টস তুলা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে এবং লেপের কাপড় প্রতি গজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, তোষকের কাপড় প্রতি গজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা হিসাবে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আকার অনুযায়ী লেপ তৈরির মজুরি ৪৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা ও তোষক তৈরির মজুরি ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা নিচ্ছেন কারিগররা। কারিগররা জানান, এবছর আকার অনুযায়ী প্রতিটা লেপ ১২০০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকায় বিক্রি
হচ্ছে।
অন্যদিকে প্রতিটি তোষক ১৬০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তারা আরো জানান, লেপ-তোষক তৈরির উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের লাভের অংক অনেকটাই কমে গেছে। এক প্রশ্নের জবাবে কারিগর নিরঞ্জন দাস ও শরিফুল ইসলাম বলেন, উপজেলার পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে কমপক্ষে ৫০-৬০টি লেপ-তোষক তৈরির দোকান আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat