×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৭
  • ১০২ বার পঠিত
শাহজাহান আহমেদ আসিফ
নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি

নরসিংদী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন— স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে কঠোর নির্যাতনের শিকার হয়েও বেগম খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ক্ষমার সর্বোচ্চ উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার চালাকচর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন— গত সরকারের আমলে তারেক রহমানকে ৭–৮ হাত ওপর থেকে ফেলে তাঁর কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়ার আরেক সন্তান আরাফাত রহমান কোকোকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নেত্রীকে নির্জন প্রকোষ্ঠে কারাবরণ করতে হয়েছে, যে নেত্রীর একজন সন্তানের কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং অন্য সন্তান বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে—সেই নেত্রীকে সামান্য চিকিৎসার জন্যও বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি। তবুও সেই সরকারের পতনের পর আমরা তাদের কোনো ক্ষতিও করিনি। আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন—যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারায়, তাহলে বাংলাদেশে ১০ লক্ষ লাশ পড়বে, আগুনে দেশ জ্বলবে। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। কেন? কারণ সারা বাংলাদেশের অভিভাবক বেগম খালেদা জিয়া, যখন শেখ হাসিনা পলায়ন করলেন, তখন হাসপাতাল থেকেই নেতাদের বলেছিলেন—‘প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়াবেন না। দেশকে শান্তির পথে রাখতে হবে।’ এই নির্যাতিত নেত্রীই ক্ষমার মাধ্যমে দেশের ১৮ কোটি মানুষের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।”
বকুল বলেন—আজ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করার মতো স্লোগান শোনা যাচ্ছে—‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’। আমরা কি এই স্লোগানের জন্য যুদ্ধ করেছি? ৩০ লাখ শহীদের রক্ত, ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জত কি পাকিস্তানের জয়ধ্বনির জন্য উৎসর্গ হয়েছিল? আজ যারা পাকিস্তানের নামে স্লোগান দিচ্ছে—এরা মুনাফিক; মুখে বলে এক, মনে পোষণ করে অন্য। এরা পাকিস্তানিদের খুশি করতে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করতে চায়।
বাংলাদেশের মানুষ আজ বেগম খালেদা জিয়াকে সুস্থ দেখতে চায়। তাঁর সুস্থতা দেশের প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলাবো উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবিব বিপ্লব, বেলাবো উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির মহাসচিব দোলনসহ দলীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat