দেশের প্রতিটি শূন্য আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচনী পরিবেশ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং ভোটারদের ভীতিহীন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষে কঠোর প্রশাসনিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখার সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), যা নির্বাচনী মাঠে অপরাধীদের তৎপরতা দমন ও জনগণের আস্থার পরিবেশ তৈরিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনাররা বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, বিগত জাতীয় নির্বাচন বা স্থানীয় সরকারের বড় নির্বাচনগুলোর মতো আসন্ন সব উপনির্বাচনেও ভোটাধিকার প্রয়োগের সময় কোনো ধরনের সহিংসতা, জালিয়াতি বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও মাঠ প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বজায় রাখবে।
ইসির এই নির্দেশনার ফলে উপনির্বাচনগুলো অবাধ ও নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় অবস্থান আবারও স্পষ্ট হয়েছে, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জন্যও একটি সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে বড় ধরনের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে রাজনৈতিক ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।